১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং ♦ ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ ♦ ১৪ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী ♦ মঙ্গলবার ♦
ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামিকে না ধরার অভিযোগ Reviewed by Momizat on . ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য আব্দুল কুদ্দুসের উপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য আব্দুল কুদ্দুসের উপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স Rating: 0
You Are Here: Home » প্রচ্ছদ » ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামিকে না ধরার অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামিকে না ধরার অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য আব্দুল কুদ্দুসের উপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক কিশোরী।
মঙ্গলবার দুপুরে বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাব হলরুমে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ দাবী জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আব্দুল কুদ্দুসের বড় মেয়ে মামলার বাদী শিরিন আক্তার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কিশোরী শিরিন আক্তার অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের মিস্ত্রিপাড়া গ্রামে আমার ছোট চাচা আজগর আলী আমার বাবার ক্রয়কৃত ৪০ শতক জমি জোরপূর্বক দখল করে রাখে। গত ২০১৭ সালের ২৬ ডিসেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আমার বাবা আব্দুল কুদ্দুস চাচা আজগর আলীকে ওই জমি ছেড়ে দিতে বললে আজগর আলীসহ তাঁর লোকজন আমার বাবাকে লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করে। এক পর্যায়ে তাঁরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবাকে কুপিয়ে জখম করে।
পরে স্থানীয় লোকজন বাবাকে উদ্ধার করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসার তাকে রংপুর হাসপাতালে পাঠায়। পরবর্তীতে সেখানকার চিকিৎসক বাবার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার আর্থ ইমারজেন্সি মেডিকেল হাসপাতালে পাঠায়। বর্তমানে আমার বাবা ওই হাসপাতালে মৃত্যু সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।
কিশোরী অভিযোগ করে বলেন, ২০১৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর আমি নিজেই বাদী হয়ে মিয়ারত আলী, আজগর আলী, রুহুর আমিন, রশেদা বেগম, কাদের ও রেজিয়া বেগমকে আসামী করে বালিয়াডাঙ্গী থানায় একটি মামলা দায়ের করি। মামলা দায়েরর ৬ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আমার মনে হচ্ছে পুলিশ আসামীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে অথবা কারো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে  তাদের গ্রেপ্তার করছে না। তাই দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবী জানান তিনি।
এদিকে আসামীরা মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিয়ে আসছে বলে কিশোরী শিরিন আক্তার অভিযোগ করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বালিয়াডাঙ্গী থানার উপ-পরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, মামলার বাদী কোন প্রকার তথ্য দেয়না আসামীরা কোথায় আছে। যদি তথ্য না পাই তাহলে কেমন করে গ্রেপ্তার করব বলেন। তারপরও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আসামীদের গ্রেপ্তার করার জন্য।

Leave a Comment

Scroll to top