১৭ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং ♦ ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ ♦ ৯ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী ♦ শনিবার ♦
বড়দিনের ছুটিতে কুকুরদের জন্য পিকনিক! Reviewed by Momizat on . আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বড়দিনের ছুটি বলে কথা! একটু ধুমধাম করেই করা হোক। ব্যানার টানানো হলো। লিখে দেওয়া হলো ‘আজ আমাদের পিকনিক’। করা হলো বিশাল রান্নার আয়োজন। ১৫০ কেজি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বড়দিনের ছুটি বলে কথা! একটু ধুমধাম করেই করা হোক। ব্যানার টানানো হলো। লিখে দেওয়া হলো ‘আজ আমাদের পিকনিক’। করা হলো বিশাল রান্নার আয়োজন। ১৫০ কেজি Rating: 0
You Are Here: Home » আন্তর্জাতিক » বড়দিনের ছুটিতে কুকুরদের জন্য পিকনিক!

বড়দিনের ছুটিতে কুকুরদের জন্য পিকনিক!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বড়দিনের ছুটি বলে কথা! একটু ধুমধাম করেই করা হোক। ব্যানার টানানো হলো। লিখে দেওয়া হলো ‘আজ আমাদের পিকনিক’। করা হলো বিশাল রান্নার আয়োজন। ১৫০ কেজি চাল আর ৫০ কেজি পনির দিয়ে রান্না হবে বিরিয়ানি। সেই বিরিয়ানি কিন্তু দেওয়া হলো রাস্তায় ঘুরে ঘুরে। এই বিশাল আয়োজন ছিল রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুরদের জন্য!

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতে সোমবার ওই ভিন্ন ধর্মী আয়োজন করা হয়। সেখানকার পশুপতি অ্যানিমেল লাভার্স সোসাইটি নামে একটি পশুপ্রেমী সংগঠন বিরিয়ানি রান্না করে শহরের বেওয়ারিশ কুকুরগুলোকে খাওয়ায়।

পাঁচটি ভ্যানে বিশাল বিশাল পাত্রে বিরিয়ানি তোলা হয়। এরপর রাস্তায় ঘুরে ঘুরে কুকুরদের খুঁজে বের করা হয়। ছোট ছোট পাত্রে দেওয়া হয় বিরিয়ানি। এভাবে এক হাজারেরও বেশি কুকুরকে খাওয়ানো হয়। তবে পথচারীদের চোখ আটকে গেছে ব্যানারে ‘আজ আমাদের পিকনিক’ লেখা দেখে।

সকাল থেকে শুরু হয় এই কুকুর খাওয়ানো। তবে বিকেলের মধ্যেই বিরিয়ানি শেষ হয়ে যায়। ফের ২০ কেজি চাল ও ১০ কেজি পনির দিয়ে বিরিয়ানি রান্না করা হয়। এরপর বিতরণ চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

অ্যানিমেল লাভার্স সোসাইটি অন্যতম কর্ণধার অর্পিতা চৌধুরী বলেন, আমরা একটু অন্যভাবে বড়দিন সেলিব্রেট করলাম। আমরা রাস্তার কুকুরদের সঙ্গেই পিকনিক করে ফেললাম বলতে পারেন।

অর্পিতা চৌধুরী বলেন, একটাই বার্তা দিতে চাই, সেটা হলো প্রাণী হত্যা করে খাওয়া বন্ধ করুন। কারণ প্রাণীরা সমাজের ইকো সিস্টেমের একটা পার্ট। তাই তাদের হত্যা করলে সমাজের ইকো সিস্টেমটাই নষ্ট হয়ে যাবে। তিনি বলেন, আমি নিজে প্রাণী হত্যা করে আর খাব না বলে শপথ নিয়েছি, আমরা চাই, সকলে প্রাণী হত্যা করে খাওয়া বন্ধ করুন।

বিরিয়ানি খাওয়ানোর পাশাপাশি কুকুরদের ওষুধও দেওয়া হয়। এ সময় কুকুরদের গলায় কলার বেল্টও লাগিয়ে দেন আয়োজকরা। যেন রাস্তায় কুকুরেরা সহজে দুর্ঘটনার শিকার না হয়। এ ছাড়া সংস্থার পক্ষ থেকে কুকুরে কামড়ানো বিষয়ে সাবধানতাসহ কুকুরকে নিয়ে নানা সচেতনামূলক প্রচারপত্র বিলি করা হয়।

Leave a Comment

Scroll to top